
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী রয়েছেন ২০ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ৪ জন। মনোনয়ন দাখিল শেষ হওয়ায় জেলার তিনটি আসনেই নির্বাচনী মাঠের প্রাথমিক চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
পালং ও জাজিরা উপজেলা নিয়ে গঠিত সংসদীয় আসন শরীয়তপুর-১ থেকে মোট ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন,
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ আহমেদ আসলাম,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মো. মোশারফ হোসেন মাসুদ,
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী জালালুদ্দীন আহমদ,
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী মো. তোফায়েল আহমেদ,
গণ অধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী ফিরোজ আহমেদ,
নাগরিক ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী নুরুল ইসলাম,
এনসিপির প্রার্থী আব্দুর রহমান,
বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী নূর মোহাম্মদ মিয়া
এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
নড়িয়া ও ভেদরগঞ্জ উপজেলার আংশিক এলাকা নিয়ে গঠিত সংসদীয় আসন শরীয়তপুর-২ থেকে সর্বাধিক ১১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন,
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি সফিকুর রহমান কিরণ,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন বকাউল,
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী ইমরান হোসেন,
খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী মাহমুদুল হাছান,
গণ অধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী আখতারুজ্জামান সম্রাট,
জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী জসিম উদ্দিন,
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী দবির হোসেন শেখ,
জনতার দলের প্রার্থী পারভেজ মোশারফ,
এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ফারহানা কাদির রহমান, আলমগীর হোসেন ও নাসির বন্দুকছি।
ডামুড্যা ও গোসাইরহাট উপজেলা নিয়ে গঠিত সংসদীয় আসন শরীয়তপুর-৩ থেকে মোট ৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন,
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাবেক একান্ত সচিব মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আজাহারুল ইসলাম,
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী হানিফ মিয়া
এবং জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী আব্দুল হান্নান।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে আরও জানা গেছে, আগামী নির্ধারিত তারিখে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করা হবে। যাচাই শেষে বৈধ প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় অংশ নেবেন।
মনোনয়ন জমা শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে শরীয়তপুরের তিনটি আসনেই ত্রিমুখী ও বহুমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মিলছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।